কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং- ৭ দিনে ত্বক ফর্সা দাগমুক্ত করার ঘরোয়া উপায়
জানুন কিভাবে প্রাকৃতিক কফি ফেসপ্যাক ব্যবহার করে আপনার ত্বক হবে দাগহীন ও উজ্জ্বল। সহজ উপায়ে ঘরোয়া যত্নের গোপন টিপস।
ত্বকের কালচে ভাব ও দাগ দূর করুন মাত্র কয়েক মিনিটে। মসৃণ, ফ্রেশ এবং ঝলমলে ত্বকের জন্য এই প্রাকৃতিক গোপন রহস্য আবিষ্কার করুন।
পেজসূচিপত্র: ঘরোয়া ফেসপ্যাক তৈরির সহজ ধাপ
- কফি ফেসপ্যাক কি এবং কেন ব্যবহার করবেন
- কফি ও মধুর ফেস প্যাক
- কফি ও দইয়ের ফেস প্যাক
- কফি ও লেবুর ফেস প্যাক
- কফি ও হলুদের ফেস প্যাক
- কফি ও দুধের ফেস প্যাক
- কফি স্কাপ হিসেবে ব্যবহার
- কফি ফেস প্যাক এর উপকারিতা
- কফি ফেস প্যাক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
- কত দিনে ফল পাওয়া যায়
- কফি ফেস প্যাক ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করে
- কফি ফেস প্যাক এর সতর্কতা
- উপসংহার: কফি ফেস প্যাক এর চূড়ান্ত টিপস
কফি ফেসপ্যাক কি এবং কেন ব্যবহার করবেন
কফি ফেসপ্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং বর্তমানে খুব জনপ্রিয় একটি প্রাকৃতিক বিউটি
টিপস। কফির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। এটি
ত্বকের ডালনেস দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়ায়। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ হয়।
ঘরেই সহজ উপায়ে তৈরি করা যায়। পার্লারের যাওয়ার দরকার হয় না। প্রাকৃতিক
উপাদান হওয়ায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। ব্রণ বা পিম্পল কমাতে সাহায্য করে। মুখের
ত্বক হবে ফ্রেশ ও স্বাস্থ্যবান। তাই অনেকে এটি বেছে নিয়েছেন।
কফি ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মুখে প্রাকৃতিক গ্লো আনে। এটি স্ক্রাব
হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের দাগ ও কালচে ভাব হালকা করতে সাহায্য করে।
নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকে। সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার যথেষ্ট।
অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বক ক্ষতি করতে পারে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটি বিশেষ উপকারী।
শুষ্ক ত্বক কোমল ও নরম থাকে। প্রাকৃতিক উপায়ে স্কিন কেয়ার করা যায়। ফল
দীর্ঘস্থায়ী এবং নিরাপদ হয়।
কফি ও মধুর ফেস প্যাক
কফি ফেসপ্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং মধুর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও
উজ্জ্বল হয়। মধু প্রাকৃতিক মশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। কফি ত্বকের মৃত কোষ দূর
করে। এটির রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। মুখে প্রাকৃতিক গ্লো আসে। শুষ্ক ত্বকের জন্য
বিশেষ উপকারী। ঘরের সহজে তৈরি করা যায়। কোনও কেমিক্যাল লাগবে না। নিয়মিত
ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ হয়। ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিক হওয়ায় কোন
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে না।
এক চামচ কফি ও এক চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট
রাখুন। হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে
দুইবার ব্যবহার করলে যথেষ্ট। ত্বক উজ্জল ও কোমল হবে। দাগ ধীরে ধীরে কমতে শুরু
করবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক স্বাস্থ্যকর থাকবে। প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ফর্সা
হবে। ত্বক থাকবে সতেজ ও প্রাণবন্ত। প্রাকৃতিক হওয়ায় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
থাকে না।
কফি ও দইয়ের ফেস প্যাক
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং দইয়ের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার
হয়। দই কালো দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। এটি ত্বক ঠান্ডা রাখে। রোদে পোড়া কালো
দাগ কমায়। কফি ও দই একসাথে স্কিন ব্রাইট করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।
এই ফেস প্যাক ব্রণ কমাতে সহায়ক। ঘরে বসে সহজে তৈরি করা যায়। নিয়মিত ব্যবহার
করলে মুখে প্রাকৃতিক গ্লো আসে। ত্বক হবে কোমল ও স্বাস্থ্যকর।
এক চামচ কফি ও দুই চামচ টক দই নিন। ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০
মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার
ব্যবহার করুন। ধীরে ধীরে কালচে ভাব কমে আসে। ত্বক পরিষ্কার ও সতেজ থাকবে। এই ফেস
প্যাক ব্রণের দাগ হালকা করবে। নিয়মিত ব্যাবহার করলে মুখে প্রাকৃতিক গ্লো আসে।
স্ক্রিন ফ্রেশ থাকবে। প্রাকৃতিক উপায়ে স্কিন কেয়ার হবে। ঘরোয়া পদ্ধতি নিরাপদ
কার্যকর। ত্বক হবে কোমল ও স্বাস্থ্যকর।
আরো পড়ুন: ত্বকের কালচে ভাব দূর করার কার্যকর টিপস
কফি ও লেবুর ফেস প্যাক
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং লেবুর সাথে ব্যবহার করলে ত্বক দ্রুত
উজ্জ্বল হয়। লেবুতে ভিটামিন সি আছে। এটি ত্বক ফর্সা করতে সহায়ক। কফির সাথে লেবু
মিশে স্কিন টোন সমান করে। ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমায়। ব্ল্যাকহেড দূর করতে
সাহায্য করে। কফি ফেস প্যাক ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ ধীরে ধীরে হালকা হয়। তবে
সতর্কভাবে ব্যবহার করুন। ত্বক প্রাণবন্ত ও স্বাস্থ্যকর হয়। প্রাকৃতিক হওয়ায়
কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে না।
এক চামচ কফিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিন। তারপর ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে লাগান।
মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। সংবেদনশীল ত্বকে খুব কম সময় রাখুন। তারপর
ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার যথেষ্ট। মুখে
ময়েশ্চারাইজার লাগান। ত্বক কমল ও উজ্জ্বল হবে। কালো দাগ ধীরে ধীরে কমতে শুরু
করবে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ফল কার্যকর হয়। প্রাকৃতিক হওয়ায় পার্শ্বপ্রতিক্রিযা
থাকে না।
কফি ও হলুদের ফেস প্যাক
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং হলুদের সাথে ব্যবহার করলে ব্রণ কমে। হলুদ
প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের ইনফেকশন কমাতে সাহায্য
করে। কফির সাথে মিশিয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়। কালচে দাগ ধীরে ধীরে কমে আসে। দাগ
হালকা হতে শুরু করে। ত্বক মসৃণ ও কমল হয়। ঘরে সহজে তৈরি করা যায়। প্রাকৃতিক
হওয়ায় এটি নিরাপদ। নিয়মিত ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
এক চামচ কফি ও অল্প হলুদ মিশান। প্রয়োজনে ২ চামচ দুধ দিন। ভালো করে পেস্ট
তৈরি করে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে
ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার যথেষ্ট। কফি ও হলুদের ফেসপ্যাক ব্রণ কমাতে
সাহায্য করবে। ত্বক উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হবে। প্রাকৃতিক উপায়ে স্কিন কেয়ার হবে।
ত্বক সতেজ ও কোমল থাকবে। নিয়মিত ব্যবহার ফল নিশ্চিত করবে।
কফি ও দুধের ফেস প্যাক
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং দুধের সাথে মিশিয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়। দুধের
ল্যাকটিক অ্যাসিড মৃত কোষ দূর করে। ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ব্রাইট হয়। কফি রক্ত
সঞ্চালন বাড়ায়। মুখে প্রাকৃতিক গ্লো আসে। শুষ্ক ত্বকের জন্য এটি উপকারী। ঘরে
সহজে তৈরি করা যায়। প্রাকৃতিক হওয়ায় এটি কার্যকর ও নিরাপদ। নিয়মিত ব্যবহার
করলে ত্বক কোমল হয়। প্রতিদিন ব্যবহারে ব্রণ ও দাগ ধীরে ধীরে কমে আসে।
এক চামচ কফি ও পরিমাণমতো দুধ মিশান। মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার যথেষ্ট। ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর হবে। সংবেদনশীল ত্বকে আগে প্যাচ টেষ্ট করুন। নিয়মিত ব্যবহার ফল নিশ্চিত করে। ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার নিরাপদ। প্রাকৃতিক উপায়ে স্কিন কেয়ার সহজ। ধৈয্য ধরে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
আরো পড়ুন: দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক উপায়
কফি স্কাপ হিসেবে ব্যবহার
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং স্কাপ হিসেবেও কার্যকর। এটি মৃত কোষ পরিষ্কার
করে। ব্ল্যাকহেড কমাতে সাহায্য করে। ত্বক কমল ও মসৃণ হয়। নিয়মিত স্ক্রাব করলে
উজ্জ্বলতা বাড়ে। কফির দানাদার অংশ প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর। সংবেদনশীল ত্বকে আগে
প্যাচ টেষ্ট করা জরুরি। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমায়।
ত্বক ফ্রেশ ও প্রাণবন্ত থাকে। এটি ব্রণ কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
এক চামচ কফি ও সামান্য নারিকেল তেল মেশান। তারপর হালকা হাতে মেসেজ করুন। ৫-৭
মিনিট ঘষে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার যথেষ্ট। ত্বক কোমল ও স্বাস্থ্যকর
হবে। মুখে প্রাকৃতিক গ্লো আসবে। ব্রণ ও কালচে ভাব কমবে। প্রাকৃতিক উপায়ে ব্যবহার
নিরাপদ। নিয়মিত ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ত্বক সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকবে।
প্রাকৃতিক হওয়ায় কোনো পাশ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না।
কফি ফেস প্যাক এর উপকারিতা
কফি ফেসপ্যাক ফর স্কিন হোইটোনিং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এটি দাগ হালকা করতে
সাহায্য করে। ত্বকের ক্লান্ত ভাব দূর করে। সূর্যের ক্ষতি কিছুটা কমে। ত্বক টানটান
থাকে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ থাকে। প্রাকৃতিক হওয়ায় এটি নিরাপদ।
ঘরে সহজে ব্যবহার করা যায়। কম খরচে এটি কার্যকর। ব্রণ কমে ও ত্বক স্বাস্থ্যকর
থাকে। নিয়মিত ব্যবহার করলে কালচে দাগ ধীরে ধীরে কমে আসে।
কফি ফেস প্যাক ব্রবহারে ত্বকের রং সমান হয়। রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে
ত্বকে স্বাস্থ্যকর আভা আসে। ত্বকের টেক্সচার উন্নত হয়। কালো দাগ ধীরে কমে। ব্রনের
দাগ হালকা হয়। নিয়মিত যত্নের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা যায়। ত্বক মসৃণ ও কোমল
থাকে। নিয়মিত ব্যবহার প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন।
প্রাকৃতিক উপায়ে ধীরে ফল আসে। ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ থাকবে। কম খরচে ভালো ফল পাওয়া
যায়।
কফি ফেস প্যাক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
কপি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা জরুরি। মুখ ভালোভাবে
পরিষ্কার করুন। প্যাক লাগানোর আগে ত্বক শুকানো ও পরিষ্কার করতে হবে। চোখের
চারপাশে লাগাবেন না। নির্দিষ্ট সময়ের বেশি রাখবেন না। সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার
যথেষ্ট। অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বক ক্ষতি করতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকে প্যাচ টেস্ট
করুন। ব্যবহার শেষে ময়েশ্চারাইজার লাগান। রোদে বের হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার
করুন।
প্যাক লাগানোর আগে প্যাচ টেষ্ট করুন। সংবেদনশীল ত্বকে সতর্ক থাকুন। সঠিক উপাদান ব্যবহার করুন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী রেসিপি বদলান। শুষ্ক ত্বকে দুধ ও মধু ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকে লেবু ও দই ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহার ফল নিশ্চিত করে। একদিনে পরিবর্তন আশা করবেন না। ধৈর্য ধরে ব্যবহার করুন। ত্বক সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকবে। প্রাকৃতিক উপায়ে এটি নিরাপদ। ব্রণ ও দাগ ধীরে ধীরে কমে আসবে।
আরো পড়ুন: ত্বক ফর্সা করার সহজ প্রাকৃতিক উপায়
কত দিনে ফল পাওয়া যায়
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং নিয়মিত ব্যবহার করলে কয়েক সপ্তাহে ফল দেখা
যায়। প্রথম ব্যবহারে ত্বক ফ্রেশ লাগে। ২-৩ সপ্তাহ উজ্জ্বলতা বাড়তে পারে। কালো
দাগ ধীরে কমে। নিয়মিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ বন্ধ করলে ফল কমে যেতে পারে।
প্রাকৃতিক উপায়ে ধীরে কাজ করে। ত্বকের টেক্সচার উন্নত হয়। ব্রণের দাগ হালকা হতে
পারে। ত্বক স্বাস্থ্যকর ও প্রাণবন্ত হয়। ধৈয্য ধরে ব্যবহার করতে হবে। এক দিনে ফল
পাওয়া যাবে না।
প্রতিদিন ব্যবহার করার দরকার নেই। সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার করলে যথেষ্ট। সঠিক
উপাদান ব্যবহার করুন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সুষম খাবার গ্রহণ করুন। নিয়মিত
ত্বকের যত্ন নিন। নিয়মিত যত্ন নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ত্বক সতেজ ও কোমল থাকে।
প্রাকৃতিক উপায়ে স্কিন ফর্সা হয়। ব্রণ ও কালচে ভাব কমে যায়। সংবেদনশীল ত কে
আগে প্রাস টেস্ট করা উচিত প্রাকৃতিক হওয়ায় কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে না
কফি ফেস প্যাক ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করে
কফি ফেস প্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব উপকারী। কফির দানাদার
অংশ অতিরিক্ত তেল শুষে নেই। ত্বকের জমে থাকা ধূলিকণার কারণে ব্ল্যাকহেড কমায়।
নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক ফ্রেশ রাখে। ব্রণ কমে এবং দাগ হালকা হয় ।ত্বক টানটান ও
কোমল থাকে। প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় নিরাপদ। ঘরে সহজে তৈরি করা যায়। নিয়মিত
ব্যবহার প্রয়োজন। ত্বক হবে স্বাস্থ্যকর ও প্রাণবন্ত।
সপ্তাহে এক থেকে দুইবার ব্যবহার যথেষ্ট। চোখের চারপাশে লাগাবেন না। ত্বকের ধরন
অনুযায়ী উপাদান ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকে দুধ ও মধু ব্যবহার করুন। প্রয়োজন হলে
লেবু ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক কোমল ও সতেজ থাকবে। কালো দাগ ধীরে ধীরে কমে আসবে।
প্রাকৃতিক উপায়ে স্কিন ফর্সা হবে। ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর হবে। নিয়মিত
ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। একেকজনের ফল একেক রকম হতে পারে। তাই ধৈর্য ধরে
ব্যবহার করুন।
কফি ফেস প্যাক এর সতর্কতা
কফি ফেসপ্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং ব্যবহার করার সময় কিছু সতর্কতা মানা জরুরি।
অতিরিক্ত ঘষা যাবে না। সংবেদনশীল ত্বকে কম সময় রাখুন। এলার্জি থাকলে ব্যবহার
করবেন না। চোখে লাগালে সঙ্গে ধুয়ে ফেলুন শিশুদের ত্বকে ব্যবহার করবেন না। যাদের
ব্রণ বা একনি সমস্যা বেশি তারা শক্তভাবে ঘষাঘষি করা থেকে বিরত থাকুন। ত্বকে কাটা
বা ক্ষত থাকলে সেখানে ফেসপ্যাক লাগানো ঠিক নয়। অতিরিক্ত সময় ধরে মুখে ফেসপ্যাক
রেখে দিলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া করলে সঙ্গে সঙ্গে
ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। কোনো অস্বাভাবিক
চুলকানি বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন।
কফির সাথে যেসব উপাদান মেশানো হয় সেগুলোর প্রতি সতর্ক থাকতে হবে। লেবু বা বেকিং
সোডা মেশালে ত্বকে জ্বালা বা শুষ্কতা বাড়তে পারে। যাদের অ্যালার্জি প্রবণতা আছে
তারা নতুন উপাদান ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। রোদে বের হওয়ার ঠিক আগে কফি ফেসপ্যাক
ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ত্বক সংবেদনশীল হতে পারে। সব সময় পরিষ্কার ও তাজা
উপকরণ ব্যবহার করুন। ফেসপ্যাক বানিয়ে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করে রাখা ঠিক নয়।
ব্যবহারের পরে ভালোভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পরে হালকা
ময়েশ্চারাইজার লাগানো জরুরি।
উপসংহার: কফি ফেস প্যাক এর চূড়ান্ত টিপস
কফি ফেসপ্যাক ফর স্কিন হোইটেনিং একটি নিরাপদ এবং ঘরোয়া কার্যকর উপায়। এটি ত্বক
উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর রাখে। ব্রণ ও কালচে ভাব কমতে সাহায্য করে। শুষ্ক ও তৈলাক্ত
উভয় ত্বকের জন্য উপযুক্ত। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। নিয়মিত
ব্যবহার করলে ফল নিশ্চিত হয়। সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। চোখের
আশেপাশে ব্যবহার করবেন না। সংবেদনশীল ত্বকে আগে প্যাচ টেস্ট করুন। ব্যবহারের পর
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। রোদে বের হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। নিয়মিত
ব্যবহারে স্কিন ফর্সা হয়। ত্বক উজ্জ্বল, সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকে।
প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার ধীরে ধীরে কাজ করে। ধৈর্য ধরে ব্যবহার করতে হবে। পর্যাপ্ত
পরিমাণ পানি পান করুন। সুষম খাবার প্রতিদিন গ্রহণ করুন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী
রেসিপি বদলান। শুষ্ক ত্বকে দুধ বা মধু ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকে লেবু বা দই
ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে স্কিন ফর্সা হয়। ত্বক উজ্জ্বল, সতেজ ও প্রাণবন্ত
থাকে। কফি ফেস প্যাক একটি সহজ নিরাপদ এবং কার্যকর ঘরোয়া সমাধান। তাই নিয়মিত এটি
ব্যবহার করুন।
.webp)
.webp)
নাহার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url